Shadow

ডিমলায় গরিব দুঃস্হ -অসহায় মানব সেবার আরেক নাম-সাইফুল ইসলাম।

নীলফামারী প্রতিনিধি।l নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় গরিব, দুঃখি, অসহায় দরিদ্র এতিম,ছোট,বড়,ছাত্র,ছাত্রী সর্ব সাধারন মানুষের মাঝে আলোচিত এক নাম-সাইফুল ইসলাম।পেশায় তিনি উপজেলার ৮নং ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য(মেম্বার)।তিনি এলাকার বিভিন্ন ক্রীড়া, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও সেবামুলক সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত আছেন। সাইফুল ইসলাম ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড পূর্বছাতুনা গ্রামের মৃত- আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা সহ পুরো ইউনিয়নে সামাজিক উন্নায়ন মুলক কাজ করে যাচ্ছে। কার ঘরে খাবার আছে না প্রতিদিনে খোজ খবর রাখেন।অভাবে অনাটণের কারনে যে সব ছেলে মেয়েদেন লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাদের খোঁজ খবর নিয়ে আর্থিক সহযোগীতা করে লেখা পড়ার ব্যবস্হা করেন।
মানবসেবা তার রক্তে মিছে আছে।যেখানে মানবিক বিপর্যয় সেখানে তার উপস্হিত হয়ে অসহায় মানুষের পাঁশে দাড়াঁনো তাদের কে প্রতিস্ঠিত করে সুন্দর ভাবে জীবন যাপনে সাহায্য করা তার নেশা। গত বৃহস্পতিবার বিকালে উক্ত ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড পশ্চিম ছাতুনামা এলাকার হরিশ চন্দ্র রায়ের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে বিথীকার লেখা পড়ার খোঁজ খবর নেন ও লেখাপড়ার খরচ বাবদ আর্থিক কিছু অর্থ প্রদান করেন। একই এলাকার এবারে এস,এস,সি পাশ হতদরিদ্র পরিবারের বেশ কয়েক জন ছাত্র,ছাত্রীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ কেনার জন্য নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। ও তাই নয় রাস্তাঘাট,মসজিদ,মন্দির, সামাজিক উন্নায়ন মুলক কাজে সহযোগীতা করে থাকেন।বাল্যবিবাহ,শিশুশ্রম,নারী
নির্যাতণ,মাদক নিমূলে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেন। এমন,মানবিক কল্যানে কাজ করতে যেমন পেয়েছেন ভালোবাসা, তার থেকে বেশি পেয়েছেন এক শ্রেনী সমালোচকদের কাছ থেকে কষ্ট দায়ক কথা,তবু ও থেমে যাননি তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন তার কাজ।মানব প্রেমী এই মানুষটি। এপ্রতিবেদকের একান্ত সাক্ষাত কারে সাইফুল ইসলাম বলেন, ছোট বেলা থেকে মানুষের জন্য কিছু করা বড় আনন্দের বিষয়। ছোট বেলায় বাবার কাছে শিখেছি মানুষকে সাহায়্য করা সমাজে উন্নায়ন মুলক কাজ করা বড় ইবাদত।বাবা সেই অনুপ্রায়নাকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। বাবা সম্পতির যে টুকু অংশ পেয়েছি, সেটুকু আবাদ করে সংসার চালায়, তার কিছু থেকে মানুষের জন্য কাজ করি।এটাই আমার বড় পাওয়া। অসহায় গরিব মানুষের কল্যানে সব বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি এভাবে এগিয়ে আসতো তাহলে সমাজের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হতো বলে অনেকে মনে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *