সাঁড়াশি অভিযান ৭২ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৩২৪, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

শামীম রিজভী : দেশব্যাপী শুক্রবার (১০ জুন) থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে পুলিশ। ৭ দিনের এ অভিযানে রাজধানীসহ সারাদেশে এখন পর্যন্ত৫ হাজার ৩২৪ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত এবং ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যদিও সাঁড়াশি অভিযান শুরু আগে আরও চারজন পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এক সভায় গত ৯ জুন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে সভা থেকে এ অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যা ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির ওপর করণীয় নির্ধারণের সভায় দেশব্যাপী জঙ্গিদের তালিকা হালনাগাদ করা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়ানো, ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিংকে কার্যকর করা, আগন্তুক ও ভাড়াটিয়াদের ওপর নজরদারি বাড়ানো, বিদেশিদের নিরাপত্তা দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযানের তথ্য

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের তথ্যানুযায়ী, দেশব্যাপী জঙ্গিবিরোধী বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত জঙ্গিসহ ৫৩২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৭ জঙ্গিসহ ৩১৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ জন জেএমবি, ৭ জন জেএমজেবি এবং বাকি ৩ জন অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। এ ছাড়াও বিভিন্ন মামলায় ৩১৫৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরের ২৪ ঘন্টায় ৪৮ জঙ্গিসহ গ্রেফতার হয়েছে ২১৩২ জন। এখানে জঙ্গিরা ছাড়াও এক হাজার ৪৯৬ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী এবং নিয়মিত মামলায় ৫৮৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার মামলায় ৪১ জন, মাদক উদ্ধার মামলায় ৩৯১ জন এবং অন্যান্য মামলায় ১৫৬ জন।

আমাদের ব্যুরো, অফিস ও জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে সাঁড়াশি অভিযানের প্রথম দিন শুক্রবার সারাদেশে ৮ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়। এর মধ্যে খুলনা থেকে ১০৩ জনকে, চট্টগ্রামে ১৩৫, রাজশাহীতে ৩১, সিলেটে ২২২, বরিশালে ২০, কুষ্টিয়ায় ৬৭, টাঙ্গাইলে ৬৮, সাতক্ষীরায় ৩৫, নাটোরে ২৭, পঞ্চগড়ে ২৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮, দিনাজপুরে ১০০, মু্ন্সিগঞ্জে ১০ ও বান্দরবান থেকে দুজনসহ মোট ৮৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানের সময় সাতক্ষীরার তালায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোজাফফর সানা (৩৫) নামে একজন নিহত হন। পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযান চলাকালে মধ্যরাতে মাগুরা ইউনিয়নের চারা বটতলার রাস্তায় পুলিশ একটি মোটরসাইকেলকে থামতে সংকেত দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহীরা পুলিশকে লক্ষ করে পরপর দুটি বোমা বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণ করে। সন্ত্রাসীদের বোমার আঘাতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হলে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে একজন নিহত হন।

পুলিশের দাবি, নিহত সানা’র বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র আইনে ও চাঁদাবাজিসহ ১৮টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় শুটারগান, তিন রাউন্ড গুলি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।

সাঁড়াশি অভিযানের দ্বিতীয় দিন শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে ৮১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে খুলনায় ৯২ জনকে, সাতক্ষীরায় ৩৫, নড়াইলে ৫৭, কুষ্টিয়ায় ৬৫, রাজশাহীতে ‘জেএমবি’ সদস্যসহ ১৩৭, পাবনায় ২৭, চট্টগ্রামে ২৭৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২, নীলফামারীতে ৩১, গাইবান্ধায় ৩৪ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

একই দিন শনিবার মধ্যরাতে নড়াইলের লোহাগড়ার দিঘলিয়া দক্ষিণপাড়ায় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রাকিব শেখ (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। অভিযানে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি পিস্তল, ৩টি গুলি ও ৫টি দা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, নিহতের বিরুদ্ধে লোহাগড়া, নড়াইল এবং গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে।

আবার সাতক্ষীরার তালার খেসরার তেঘরিয়া এলাকায় একই সময় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সঞ্জিত অধিকারী (৩৫) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। পুলিশের দাবি, আগের রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মোজাফফর সানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ক্যাডার সঞ্জিত অধিকারী। পুলিশ অভিযানে গেলে একদল সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে এসআই মো. বাদশা আহত হলে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। এতে সঞ্জিত অধিকারী গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এ ছাড়াও ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদুর রহমান দ্য রিপোর্টকে জানান, রাজধানীতে অভিযান শুরুর পর থেকে ২৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, জঙ্গি দমনের নামে সারাদেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার করা হচ্ছে। সাঁড়াশি অভিযানে ১২ শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালত কর্তৃক ৫৪ ধারাবিষয়ক নির্দেশনা উপেক্ষা করা হচ্ছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৭ জুন) রাজধানীর পল্লবী এলাকায় এক অভিযানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই জেএমবি সদস্য নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে নিহত তারেক হোসেন ওরফে মিলু (৩২) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন আসামি। পুলিশের দাবি, নিহত তারেক প্রফেসর রেজাউল হত্যাকাণ্ডে সরাসরি নেতৃত্বে দিয়েছিলেন। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত জেএমবির সদস্য সুলতান মাহামুদ ওরফে কামাল (৪৫) বগুড়ায় শিয়া মসজিদে গুলি চালিয়ে একজনকে হত্যা করে বলে দাবি পুলিশের।

মঙ্গলবার গভীর রাতে বগুড়ায় পুলিশের সঙ্গে তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মো. কাওসার নামে আরেক সন্দেহভাজন জেএমবি সদস্য নিহত হন। তিনি বগুড়ার শিয়া মসজিদে হামলায় জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সোমবার (৬ জুন) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুর চাপড়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন বাগমারায় আহমদিয়া মসজিদে বোমা হামলার সন্দেহভাজন আসামি জেএমবি সদস্য জামাল উদ্দিন (২৮)।

অভিযান চলাকালেও গলা কেটে খুন

সাঁড়াশি অভিযান চলাকালীন সময়ে শুক্রবার সকালে পাবনার হেমায়েতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের সেবক নিত্যরঞ্জন পাণ্ডেকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পাবনা মানসিক হাসপাতালের উত্তর পাশের প্রধান গেটে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে নিত্যরঞ্জন পাণ্ডেকে ঘাড়ে-মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। ঘটনার পরের দিন শনিবার আইএসের পক্ষ থেকে এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারের খবর প্রকাশ করেছে সাইট ইন্টেলিজেন্স। আইএসের মুখপাত্র আমাক নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এ কথা জানায় সাইট।

সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে এক বৈঠকে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের মদদদাতাদের আঁতাত ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ বলেন, জঙ্গিদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর কুশীলবদের নজর রাখতে হবে। কেননা, ভিনদেশি মদদ প্রবাহিত হয় দেশীয় পৃষ্ঠপোষকদের মাধ্যমে। তাই পৃষ্ঠপোষক থেকে সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের আলাদা করতে হবে। ১৬ কোটি মানুষের সবাইকে পুলিশের পক্ষে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই এ শক্তিকে বিনাশ করতে জনগণের এগিয়ে আসতে হবে।

এ সময় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেন, চাপাতিতন্ত্রও কিন্তু একটা আদর্শের ভিত্তিতে চলছে। তাই আমাদেরও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শক্তি হিসেবে নিয়েই ওদের ওপর পাল্টা আঘাত করতে হবে। প্রয়োজনে আরও বেশি ফোর্স মোতায়েন করে কঠিন হাতে এদের মূল উৎপাটন করতে হবে।

সফলের পথে অভিযান

সবগুলো হত্যাকাণ্ডের পর সাইট ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে আইএস বা একিউআইএস দায় স্বীকার করলেও একইভাবে খুন হওয়ার এক সপ্তাহ পরও পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যার দায় স্বীকার করেনি কথিত ওই সংগঠনগুলো। বরং এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যার ‘নিন্দা’ জানিয়েছে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের (একিউআইএস) বাংলাদেশ শাখা আনসার আল-ইসলাম। জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট সাইট ইন্টেলিজেন্স এ খবর দিয়েছে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বেশ কিছু হত্যাকাণ্ডের পর আইএস বা অন্য জঙ্গিগোষ্ঠীর নামে দায় স্বীকারের যে খবরগুলো এসেছিল সেগুলোও এসেছিল সাইট ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমেই।

এ সাঁড়াশি অভিযান সফল হতে চলেছে বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, যারা একইভাবে একের পর এক হত্যা করছে তারা আবার একই ধরনের হত্যাকাণ্ডে নিন্দাও জানাচ্ছে! আসলে এগুলো সবই যৌথ অভিযানের ফল। জেএমবিসহ অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা গ্রেফতার হয়েছে। মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার হয়েছে।

এদিকে, পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেফতারের দাবি করেছে সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার। নগরীর বায়েজিদ থানার শীতলঝর্ণা এলাকা থেকে শুক্রবার (১০ জুন) রাতে শাহ জামাল রবিন (২৮) নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার জানান, মিতু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী শাহ জামাল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। মিতু হত্যার সময় ঘটনাস্থলে মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হয়ে যে যুবক হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় আমরা সন্দেহ করছি রবিনই সে যুবক। জিজ্ঞাসাবাদে এ ব্যাপারে তথ্য আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহছান দ্য রিপোর্টকে জানান, সারাদেশে শুরু হওয়া পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে। এদের মধ্যে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) ২৭ জন, জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশের (জেএমজেবি) ৭ জন এবং বাকি তিনজন অন্য সংগঠনের। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সক্রিয়ভাবে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছ থেকে ১৫টি ককটেল, শুটারগান ও ৫০০ গ্রাম গানপাউডার উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরের ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার জঙ্গিদের মধ্যে ৪৭ জন জেএমবি ও একজন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। তাদের কাছথেকে দুটি শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি, ৫০০ গ্রাম গান পাউডার, ১৭টি ককটেল, দুটি ১২ বোরের বন্দুকের কার্তুজ, ৯টি চাপাতিসহ অন্যান্য ধারালো অস্ত্র এবং বিপুল পরিমান উগ্রপন্থী বই উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল দ্য রিপোর্টকে বলেন, কম্বিং অপারেশন বা যৌথ অভিযান যখন যেখানে দরকার তখন সেখানে সেটা করছি। আমরা বসে নেই, সবই করছি। আমাদের যখন যেখানে সন্দেহ হবে সেখানেই করবো। তবে টার্গেট কিলিং প্রতিহতের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিয়েছি এবং প্রচেষ্টা চলছে অব্যাহতভাবে। অনেক সন্দেহভাজনদের ধরেছি। অচিরেই টার্গেট কিলিং নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।

আরও পড়ুন

Wednesday, September 22, 2021

সর্বশেষ