রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নব প্রজন্ম.কবে শুনব আমি তারেক জিয়া বলছি

রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নব প্রজন্ম.কবে শুনব আমি তারেক জিয়া বলছি

pn000জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের এক আপষীন রাস্ট্রনায়াক। তার সততা,নিষ্ঠা, গভীর দেশপ্রেম ও নেত্রিতের গুনাবালি তাকে করেছে দেশের সফল রাস্ট্রনায়াক। শহীদ জিয়া স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে মূলনীতি ধরে বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশের সকল ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের বাংলাদেশকে ঐক্যবন্ধের ডাক দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল। মাত্র ৬ বছর রাস্ট্রপরিচালনায় দায়িত্ব পেয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এই ৬ বছরে তিনি গন মানুষের যে পরিমান ভালবাসা ও শ্রধাবাজন হয়েছিলেন তা অন্য কোন রাস্ট্রনায়াকের ভাগ্যে জোটেনি। সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন অনেকে দেখালেও বাস্তবে একে রূপদানে প্রথম কাজ শুরু করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

একবিংশ শতাব্দিতে বাংলাদেশের রাজনিতিতে জনাব তারেক রহমান এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি মাহান পিতার এক আদর্শ উত্তরসূরি । আর এই শহীদ জিয়ার অসমাপ্ত উন্নয়ন কর্মসূচি ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারসহ উন্নয়নের ধারাবাহিকতার নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি তারেক রহমান হয়ে উঠেন সারা দেশের তরুন প্রজন্মের স্বপ্নকে লালন করার কেন্দ্রবিন্দুতে।

একজন শিক্ষিত, আত”প্রত্যয়ী,সৎ ও মেধাবী  নেতাই পারেন সুশিক্ষিত আর কর্মচঞ্চল কর্মীবাহিনী গড়ে  তুলতে এবং তাদের দেশের কাজে আত্ম নিয়োগ করতে। তৃণমূল সঞ্চারী তারেক রহমান সে কাজটি অত্যন্ত সফলতার সাথে শুরু করতে পেরেছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের দলের প্রতি তাদের চিন্তা চেতনাকে প্রতিফলিত করতে ‘তৃণমূল পর্যায়ের সম্মেলন’ নামে কর্মসূচি সবকয়টি জেলায় শুরু করেন।

তিনি অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে গণমুখী করার চেষ্টা করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কর্মসূচীতে ওতপ্রেতভাবে জড়িত থেকে রাজনীতিতে যোগ করেন এক নতুন মাত্রা। তিনি রাজনীতিতে  পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর গতিশীলতাকে প্রাধান্য দেন। রাজনীতিকে সাধারণ মানুষের কল্যানের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। প্রতিহিংসা আর প্রতিশোধের রাজনীতির বলয়ের বাইরে এসে শুরু করেন এক কল্যান ধর্মী রাজনীতি।

 ২০১৪ সালে আবার যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গভীর সংকটের মধ্যে, ঠিক তখনই তারেক রহমান দলের দুর্বলতা কাটিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করে তুলতে নিজেই ‘কাণ্ডারি’ হিসেবে আবির্ভূত করতে যাচ্ছেন। দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করার পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায়ে ‘নয়া কৌশল’ নেওয়া এবং তা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। বিএনপির ভবিষ্যত কান্ডারী তারেক জিয়া ২৫ মার্চ লন্ডনের এক টি হোটেলে বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্যে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বলে দাবি করে

জিয়া তনয় তারেক রহমান সেদিন বলেছিলন,‘ ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। এটাই সত্যি, এটাই ইতিহাস।

৮ এপ্রিল ২০১৪ লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টারের সেন্ট্রাল হলে এক সুধী সমাবেশে ‘জিয়াই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং শেখ মুজিব অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ সে অনুষ্ঠানে তারেক রহমান জিয়াউর রহমানকে আবারও দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি দাবি করার পাশাপাশি বলেন দেশের প্রথম অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। কারণ তিনি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গৃহীত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।… 
তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি চেয়েছিলেন স্বায়ত্তশাসন।’

দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন হয়তো কোনো সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা অনুযায়ী তারেক জিয়া ও বিএনপি, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে এই নিয়ে চলছে বিতর্ক প্রতিযোগিতা নেমেছে। আমি ওই সকল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বলছি আপনারা দেশ ও দেশের বাইরে যারা তারেক রহমানের বক্তব্য শুনেছেন বা শুনেন নাই তাদের বলছি আমি আমার জীবনে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তির বক্তব্য শুনেছি। কিন্তু গত ২৫ মার্চ ২০১৪ ও পরবর্তী সকল বক্তব্য শুনে  তারেক রহামানের প্রতি আমার শ্রদবা , ভালোবাসা ও সম্মান পূর্বের থেকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহু গুন।  কারন ওই সকল বক্তব্যে তিনি বিরোধী পক্ষকে উল্লেখ করে কোন অশ্লালিন বা বাজে মন্তব্য করেন নাই। তিনি ইতিহাস নির্ভর সাবলীল ও শ্রুতিমধুর বক্তব্য দিয়ে সারা বিশ্ব বাসীকে আবারও প্রমান করলেন আমি তারেক রহমান একজন সৎ, নিষ্ঠাবান, দেশপ্রেমী, আদর্শ পিতার আদর্শ সন্তান।

যারা তারেক রহামান কে নিয়ে কটূক্তি করে কথা বলেন তা‡`র বলছি  তারেক রহমান এমন পরিবারের সন্তান তার বাবা ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম president আর মা হচ্ছে ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী । যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। কিন্তু তার ভেতর একটুও দাম্ভিকতা বা অহংকার নেই যা তাকে শুধু মহান ই করে নি করেছে ১৬ কোটি প্রানের স্পন্দন।তিনি যে এক মহান নেতার শ্রেষ্ঠ সন্তান তার আরেকটি উদাহরন হল বিএনপি সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তার মেধা দিপ্ত সিধান্ত দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে গড়ে তোলেন ভালবাসার সেতু বন্ধন।রাজনীতিতে সহনশীলতা ফিরিয়ে আনতে তিনি এমনকি টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত শেখ মুজিবের মাজার জিয়ারত করেন ও বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। তখনকার বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের রাজনীতিতে আগমনের খবর শুনে ফুল পাঠিয়ে শুভে¬ছা জানান।

কিন্তু যখন আমি যখন এই লেখাটি লিখছি তখন জানতে পারলাম বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যান ও জাতীয় সংসদ ভবনের পাশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। সেক্ষেত্রে জিয়ার মাজার প্রয়োজনে ঢাকার বাইরে নিয়ে যেতে পারে। আমি এক খুদ্র ব্যক্তি হিসেবে বলছি প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কে বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছেন। তার সন্তানদের দেশ ছাড়া করেছেন। ৭ বছর মায়ের মুখ দেখতে দেন নি। জিয়া বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করেছেন । জনগণ চুপ ছিল, সব কিছু সহ্য করেছে কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন, নয়নের মনি আবেগের স্থান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে হাত দিবেন না। প্রধানমন্ত্রী আপনার হাত পুড়ে যাবে। শুধু এইটুকু বললাম।

আজ সময় এসেছে সব কিছু চুলচেরা বিশ্লেষন করে জাতিকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার। প্রপাগান্ডা আর মিথ্যাচার দিয়ে কোন জাতিকে সাময়িক সময়ের জন্য বিভ্রান্ত করা গেলেও বোকা বানানো যায় না।তাইতো মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর সেনানি জেড ফোর্সের সেক্টর কমান্ডার আর ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অন্ধকারে নিমজ্জিত নেতৃত্বহীন জাতি, যার স্বাধীনতার ঘোষনায় নতুন উদ্দমে শক্রুর মোকাবেলার জন্য আনুষ্ঠানিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি দেশনায়ক তারেক রহমান আজ আমাদের জন্য নতুন দিনের নতুন বার্তা নিয়ে আমাদের ডাক দিয়েছে।

হে দেশনায়ক আপনাকে বলছি, আপনার পাশে আমারা চিরকাল ছিলাম ,আছি এবং থাকব।

Save

Save

Save

আরও পড়ুন

Tuesday, October 19, 2021

সর্বশেষ