রাজস্থলী উপজেলায় প্রয়াত ক্যমং চৌধুরী সইংন নৃত্য মধ্যে দিয়ে শেষ  অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান সমাপ্তি।

[চাইথোয়াইমং মারমা রুদ্র জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান ] রাজস্থলী উপজেলার ৩২০ নং কাকড়াছড়ি মৌজা প্রধান প্রয়াত ক্যমং চৌধুরী রোজ রবিবার নিজ বাসভবন প্রাঙ্গণে বৌদ্ধে ধর্মের অনুযায়ী সইংন নৃত্য মধ্যে দিয়ে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষ অনুষ্ঠান হয়।এতে বৌদ্ধ প্রধান অতিথি মহাথেরাে ডাকবাংলা বৌদ্ধ বিহারে অধ্যক্ষ।তার পর অারো উপস্থিত ছিলেন, থেরো সংঘনায়ক খেমাচারা ভিক্ষু, রাজভিলা বিহারে অধ্যক্ষ, হেডম্যান বিহারে বিহারেধ্যক্ষ,নন্দবংশ ভাবনা কেন্দ্র বিহার প্রধান,বিভিন্ন বিহার হতে প্রধান ভিক্ষুসহ উপজেলার চেয়ারম্যন উথিংসিন, দীপময় তালুকদার ঞোমং মারমা ৩নং ইউপি,রাজভিলা হেডম্যান রুইপ্রুঅং চৌধুরী,স্থানীয় সহ নেতানেত্রীসহ বিভিন্ন এলাকার হতে নেতানেত্রীসহ স্থানীয় জনগন ও কারবারী সহ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থাপক ভি ক্ষু প্রভাষক  উদারা ভান্তে,বক্তব্য মধ্যে দিয়ে অন্ত্যেস্টক্রিয়া শুরু হয়। শুরুতে  পঞ্চশীলসহ বিভিন্ন দেশনায় দেন মহাথেরো ছাদগ্রী ডাকবাংলা বৌদ্ধ বিহারে অধ্যক্ষ।  প্রভাষক উদারা বলেন, অামরা ভাল হেডম্যান হারিয়েছি। মৌজাতে এরকম হেডম্যান জ ন্ম হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।তিনি অাহবান জানান,তার অাত্তা শান্তি জন্য প্রাথর্না করা।এতে হেডম্যান পরিবার প ক্ষ হয়ে শোক প্রস্তাব করেন প্রয়াত হেডম্যান অাপন ভাই বাবু ক্যসুইথুই চৌধুরী।সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন,থোয়াইসুইখই মারমা,তিনি বলেন বাংগালহালিয়া কলেজ বাং:হাই স্কুল প্রতিষ্ঠাতা ও অবদান রেখেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।ভান্তে উদারা কান্না জর্জরিত হয়ে বলেন,প্রয়াত ক্যমং চৌধুরীর মত রাজস্থলী উপজেলায় জন্ম হবে কিনা জানিনা।তার বাবা পিতা সর্গীয় পাংওয়াজা চৌধুরী পাকিস্তানি অামলে এককালীন কাপ্তাই হতে দক্ষিণ অঞ্চল পর্যন্ত সততার সাথে শাসন করে গেছে।শাসনাধীন কোনদিন প্রজাদেরকে কস্ট দেয়া হয়নি।এখনো প্রবীণ প্রজারা দুচোখের সামনের ভাসছে ও চিরদিন শ্বরণীয় থাকবে।ঠিক তার ছেলে ও অনেক দান করে গেছে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধমীর্য় প্রতিষ্ঠানের ও দান করে গেছেন।তাহার অামলে এলাকার শান্তি সম্প্রীতি বজায় রেখে শাসন করেছিল।শ্রী মহাথেরো খেমাচারা ভিক্ষু নিজের বার্মিজ লেখা দিয়ে,তার উদেশ্য শ্রদ্ধাঞ্জলী শোক বার্তা পাঠ করানো হয়।তিনি বলেন, চেয়ারম্যান ও হেডম্যান থাকাকালীন অত্যন্ত প্রজাদের বিনয়ী চোখে রেখে বিভিন্ন কাজে দান থেকে শুরু করে অপরিসীম। স্থানীয় মৌজা এলাকার সাধারণ জনগন, স্কুল ও কলেজ ছাত্রছাত্রী,শিক্ষক সহ বিভিন্ন এলাকা হতে হাজার হাজার লোক সমাগম উপস্থিত ছিলেন।বিকাল ৪:১৫ মিনিটে স্থানীয় কেন্দ্রীয় শশ্বানের দাহ ও সমাধিত করা হয়।

আরও পড়ুন

Wednesday, January 26, 2022

সর্বশেষ