ডিমলায় অগ্নিকান্ডে ভস্মিভূত আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্প।ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান ৬ লক্ষ।

নীলফামারী প্রতিনিধি।l নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্প, ১৯ মে(শনিবার) বিকাল আনুমানিক ৪ টা ৩০ মিনিটে অগ্নিকান্ডে ভস্মিভূত হয় চার নং ব্যারাকের ১০টি পরিবার। আগুন লাগানো সাথে সাথে স্হায়ীয় জনগন আগুন নিভানো চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডিমলা ও জলঢাকা দুটি ইউনিট প্রায় ঘন্টা ব্যাপী কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ক্ষতিগ্রস্ত  পরিবার গুলো হলেন জবেদ আলী, জবেদা বেওয়া , কদম আলী, ছলেমান আলী, উত্তম সেন , জয়নাল আবেদীন , আবু কালাম , ফজল মিয়া , মোতালেব , দিনমনি, এদের  মধ্যে নগদ অর্থসহ ৫টি পরিবার বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয় । তারা হলেন জবেদ আলী ৫০ হাজার , জবেদা বেওয়া ২ লক্ষ, কদম আলী ৯০ হাজার, ছলেমান আলী ১০ হাজার , উত্তম সেন ১০ হাজারসহ মোট নগদ অর্থ ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা এবং ঘরবাড়ীসহ ক্ষতির পরিমান মোট ৬ লক্ষ টাকা ।
অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত সর্ম্পকে জানতে চাইলে ডিমলা থানা ফায়ার সার্ভিস লিডার আবুবক্কর সিদ্দিক জলঢাকা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন ইনচার্জ হাবিবুর রহমান খন্দকার প্রতিবেদক বলেন এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত বিদুাৎতের শর্টসাকির্ট থেকে হয়েছে বলে তারা নিশ্চিত করেন । অগ্নিকান্ডে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুর রহমান তিনি প্রতিবেদক কে বলেন অগ্নিকান্ডের কথা মুঠোফোনে শোনামাত্র, যোগাযোগ করি  ডিমলা থানা ফায়ার সার্ভিস ও পার্শ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস টিমকে।তারা এসে প্রায় ঘন্টা ব্যাপী কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে রিপোর্ট করা হয়েছে।
এছাড়াও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ফেরদৌস আলম, ডিমলা থানা উপ-পরিদর্শক এসআই গোলাম মোস্তফা ও সঙ্গীয় ফোর্স,সাংবাদিক ও মানবাধিকার সদস্য মোহাম্মদ আলী সানু, মানবাধিকার কর্মী রংপুর বিভাগীয় কার্য নির্বাহী সদস্য মোঃ মশিয়ার রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ একরামুল হক চৌধুরী, ইউপি সদস্য ছাইফুল ইসলাম, হামিদুল ইসলাম, বিন্যাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামনুর, ডিজিটাল সেন্টার উদ্দ্যোক্তা শফিকুল ইসলাম, সমাজ সেবক জাহাঙ্গীর আলম, সমাজ সেবক মোজাফ্ফর হোসেন প্রমুখ l

আরও পড়ুন

Thursday, January 20, 2022

সর্বশেষ