ডিমলার ঝুনাগাছচাপানীতে লক্ষি প্রতিমা ভাংচুর এলাকায় তোলপাল।

নীলফামারী প্রতিনিধি।lকালী মন্দিরে কালী দূর্গা মন্দির সংলগ্ন লক্ষী মন্দিরে লক্ষী প্রতিমা ভাংচুর নিয়ে অত্র এলাকা ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ জুলাই(বুধবার) দিবাগত রাতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলাধীন ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের, দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানী ৪ নং ওয়ার্ড এলাকায়। দক্ষিন ঝুনাগাছ চাপানী পূজা উর্দ্দযাপন কমিটির সভাপতি প্রমোদ কুমার সেন ও সেক্রেটারী নিতাই কৃষ্ণ সেন জানান, ২৬ জুলাই (বৃহষ্পতিবার) সকাল আনুমানিক ৮/৯ ঘটিকার সময় প্রতিমাগুলো ভাংচুরের কথা শোনা মাত্র ঘটনাস্থল ছুটে যাই । গিয়ে দেখি প্রতিমাগুলো ভাংচুর অবস্থায় পড়ে আছে ।সাথে সাথে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান , মেম্বার, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ অনেককেই অবগত করাই । ইতিমধ্যে অনেকেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রতিমাগুলো ভাংচুরের ব্যাপারে কি রহস্য থাকতে পারে তা জানতে চাইলে তারা জানান,স্বাধীনের পর হতে অত্র এলাকায় হিন্দু-মুসলিম একাকার হয়ে আমরা বসবাস করছি । আমাদের উৎসবগুলোতে অনেক মুসলমান ভাইয়েরা সহযোগিতা করে আসেন সুতরাং তাদের দ্বারা এরকম কাজ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি না । তবে কোন না কোন তৃতীয় পক্ষ আছে তারাই এসব ঘটিয়ে সাম্প্রদায়িক কোন দাঙ্গা সৃষ্টি করতে চায় ।এ বিষয় ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন শাখার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যুবলীগ আহবায়ক ও উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী (দলু) বলেন আমিও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি যারা এসমস্ত কাজ ঘটিয়েছে তারা দেশ এবং জাতির শক্র, তারা কোন দলের হতে পারে না । আমি আশা করি অপরাধী যেই হোক তাকে ধরে আইনের আশ্রয় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হউক।
অপরদিকে ঝুনাগাছ চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, আমার ইউনিয়নের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির মধ্যে দিয়েই বসবাস করছেন । কোন স্বার্থানেষী মহল বিশেষ কোন উদ্দ্যেশে সাধনের লক্ষ্যে এমন নেক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমার মনে হয়। তদন্ত সাপেক্ষ দোষীদের শাস্তি হোক এটাই আমার কামনা । এলকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নিমিত্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ইউপি সদস্য ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীকে সার্বক্ষনিক তদারকি করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

Sunday, September 26, 2021

সর্বশেষ