ডিমলার ঝুনাগাছচাপানীতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বস্ত্র বিতরণ করলেন-মোজাফফর হোসেন।

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ সুন্দর আগামী সৃষ্টির জন্য শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত না থেকে এ মানুষটি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করছেন পরার্থে। পৃথিবীতে এমনও হাজারো মানুষ রয়েছে-যাদের হাজারো অর্থ-সম্পদ রয়েছে কিন্তু নিজেকে পরার্থে বিলিয়ে দিতে নারাজ। পরের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখাটা যেনতেন ব্যাপার নয়, পুরোটাই ত্যাগের।তিনি সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মোজাফফর হোসেন।অগাদ ভালো বাসায় জড়িয়ে যান নিজ এলাকা সহ অন্য এলাকার অনেক অসহায় মানুষদের সঙ্গে।
অনেক ধনবান মানুষ থাকলেও গরীবকে ভালোবেসে বুকে টেনে নেওয়ার মতো মানুষ কিন্তু হাতে গোনা। আর সেই সব হাতে গোনা মানুষের মধ্যে তিনি ও একজন। ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছে তিনি ভরসাস্থল বলে মনে করেন অসহায় মানুষেরা। তাদের বিপদে আপদে সব সময় তার অবস্থান থাকে সবার আগে।তিনি একজন সফল মানব প্রেমের উজ্জ্বল উদাহরন।শৈশব থেকে দেশ প্রেমকে হৃদয়ে লালন করে সৃষ্টি করেছেন অসাধারন নৈপূর্নতার কারিশমা গুলো।তিনি মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যিনি ভালবাসতে জানে তাকেই ভালবাসতে হয়।জননন্দিত এই মানুষটি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৮নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলি এলাকার মোজাফফর হোসেন।তিনি যেন সামাজিক কাজ ও উন্নয়নের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি তার ব্যক্তি জীবনে একজন সাধারন গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য(চৌকিদার) তার স্ত্রী আছিয়া বেগম ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের দুইবারের সফল সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। সংসার জিবনে এক মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তানের জনক।মোজাফফর হোসেন ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্য তার জীবনে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তা মেরামত, মসজিদ-মাদ্রাসা ও মন্দিরে সহযোগিতা, অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, গরীব অসহায় মেয়েদের বিবাহে সহযোগিতা, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা,গরিব পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সহায়তা করা,বিভিন্ন প্রকার খেলাখুলার আয়োজন করা।বাল্যবিবাহ,জুয়াও মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে তার বিরল ভুমিকা।
১৬মার্চ শনিবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় তার উন্নয়ন ও সামাজিক কাজের চিত্র। অত্র ইউনিয়নের অসহায় হতদরিদ্র পরিবার খুজেঁ খুজেঁ নিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাড়ি,লুঙ্গি ও মশারি বিতরন করছে। এ বিষয়ে কথা হয় দক্ষিন সোনাখুলী শালতলা জামে মসজিদের ইমাম লেবু মিয়া ও এলাকাবাসী প্রফুল্ল কুমার,ধীরেন্দ্র নাথ রায়,এছাহাক আলী,আজগর আলী সহ অনেকে জানান, নিঃসন্দেহে তিনি একজন ভালো মানুষ। গরীব অসহায় মানুষের বিপদাপদে নির্লজ্জ ভাবে ঝাঁপিয়ে পরে তাকে উদ্ধার করে থাকেন। বর্তমান সময়ে এরকম মানুষ পাওয়া অনেক কঠিন। তিনি একজন সদা মনের মানুষ।তিনি একজন চৌকিদার ও তার স্ত্রী ইউপি মহিলা সদস্যা। সে প্রায় সময় এভাবে গরিব অসহায় মানুষদের সাহায়্য সহযোগীতা করে থাকেন।বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করে থাকেন।
নিজে বাড়ি বাড়ি বস্ত্র বিতরণ করা কালে এ প্রতিবেদকের একান্ত সাক্ষাতকারে মোজাফফর হোসেনের বলেন, ছোট বেলা থেকে মানুষের বিপদে আপদে সাহায়্য সহযোগীতা করা আমার একটা নেশা।আমি একজন গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য(চকিদার)আমার দ্বায়িত্বের পাশাপাশি আমি যতটুকু পারি সামাজিক কাজ ও উন্নয়ন করে আসতেছি, কারন মানুষের উন্নয়নটায় হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার কাছে একমাত্র চাওয়া। আর যতদিন বেছে থাকবো ততদিন আমি এভাবেই সাধারন মানুষের সাথে থাকতে চাই।

আরও পড়ুন

Thursday, September 23, 2021

সর্বশেষ