দৌলতখানে ওসি ও মেম্বারের মধ্যস্থায় ষষ্ঠ শ্রেনীর মাদরাসার ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা আপোষ-মিমাংসা

ভোলা প্রতিনিধি ঃ-

দৌলতখান থানার ওসি ও ইউপি সদস্য মিলে ষষ্ঠ শ্রেনীর মাদ্রারাসার ছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনাটি মামলা না নিয়ে আপোষ মিমাংসা করেছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকাল অনুমান সময় ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে এ নাটকীয় মিমাংসা হয়েছে যা ধর্ষিতা ছাত্রীর পিতা কামাল হোসেন গোপনে ধারনকৃত মোবাইল ফোনের বক্তব্য থেকে প্রতিয়মান হওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার প্রথম থেকেই স্থানীয় মেম্বার মনির হোসেন ধর্ষক হারুন বেপারীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপার জন্য তদবির চালিয়ে আসছেন। এমনকি কামালকে মামলা না করার জন্য হুমকিও দিয়েছিলেন বলে কামাল সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। অনদিকে দৌলতখান থানার ওসি এনায়েত হোসেন ঘটনার ১৫দিন অতিবাহিত হলেও মামলা নেয়ার ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখাননি। বরং গতকাল বুধবার সকালে থানার দোতালায় ওসির কক্ষে ছাত্রীর পিতা কামালকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টির একধরনের সুরাহা করেছেন। এ সময় চরখলিপা ইউনিয়নের দিদারুল্লা ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মনির উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছেে । যদিও দৌলতখান থানার ওসি এনায়েত হোসেন বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন।

আরও পড়ুন

Wednesday, September 22, 2021

সর্বশেষ